
মো: আশফিকুর রহমান সরকার, হাবিপ্রবি: দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) বগুড়া জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতি হাবিপ্রবি শাখার ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৫ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়াম-১ এ উক্ত ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এতে উপস্থিত ছিলেন প্লান্ট প্যাথলজি বিভাগের প্রফেসর ড. মো. মামুনুর রশিদ, অর্থনীতি বিভাগের প্রফেসর ড. এ.টি.এম রেজাউল করিম, প্লান্ট প্যাথলজি বিভাগের প্রফেসর ড. মো. মহিদুল হাসান, ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. মো. জামিল সুলতান, ডেপুটি রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ আনোয়ার সাদাত,বগুড়া জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতির আহ্বায়ক মো. সাব্বির আহমেদ, সদস্য সচিব নাঈম ইসলাম সংগ্রাম। এছাড়াও অন্যান্য শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
উক্ত অনুষ্ঠানে বগুড়া থেকে সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের ক্রেস্ট দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়।সেইসাথে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা নিজেদের মাঝে পরিচিত হয়ে নেন এবং নিজ এলাকা, বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন।
উপস্থিত শিক্ষকেরা বলেন, বগুড়া মানুষ শিক্ষা-দীক্ষায় যথেষ্ট অগ্রণী। সেইসাথে সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং ভ্রাতৃত্ববোধের জায়গায়ও এগিয়ে। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য তারা বলেন, আমাদের বগুড়ার গর্ব জনাব তারেক রহমান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। তিনি এদেশের জনগণের সেবা করছেন। আমাদের উচিত হবে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থীদের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রেখে সহাবস্থান নিশ্চিত করে চলা।আমরা বগুড়া জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতি সর্বদাই বিশ্ববিদ্যালয়ের মঙ্গল হোক এমন কাজের সাথে যুক্ত থাকবো। পরিশেষে তারা আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, অনেক সুন্দর একটি আয়োজন ছিল। যার ফলশ্রুতিতে বগুড়ার সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী একত্রিত হওয়ার সুযোগ পেয়েছে।
বগুড়া জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতির আহ্বায়ক সাব্বির আহমেদ বলেন, আমরা বগুড়ার মানুষজন একে অপরের প্রতি আন্তরিক। আমরা সবসময় একে অপরের বিপদে আপদে থাকার চেষ্টা করি।এমন আয়োজন ভাতৃত্ববোধকে সুদৃঢ় করে।তারই লক্ষে এই ইফতারের আয়োজন। আশা রাখছি ভবিষ্যতে সকলের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে আরো সুন্দর সুন্দর আয়োজন সম্ভব হবে।
বগুড়া জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতির সদস্য সচিব নাঈম ইসলাম সংগ্রাম বলেন, বগুড়া নামটিই আমাদের কাছে আবেগের জায়গা! আমরা বগুড়া মাটি,মানুষ, আলো-বাতাস সবকিছুকে ভালবাসি।বগুড়া থেকে দূরে এসে পড়াশোনা করছি।আমরা এখানকার শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মিলে একটি বৃহৎ পরিবার। এই পরিবারের মানুষ একত্রিত হওয়ার উপলক্ষ হিসেবে আজকের ইফতারের আয়োজন ছিল। তিনি উল্লেখ করে বলেন, জানি না কতটুকু ভালো আয়োজন সম্ভব হয়েছে। তবে যতটুকু ভালো আয়োজন হয়েছে তার সকল কৃতিত্ব আপনাদের আর যা কিছু ব্যার্থতা আমাদের। তবে সর্বদাই চেষ্টায় থেকেছি সকলে মিলে ভ্রাতৃত্বের জায়গা অটুট রাখি।আশা রাখছি সেই ভ্রাতৃত্ববোধ ভবিষ্যতে আরো সুদৃঢ় হবে।এই বিশ্ববিদ্যালয়ে বগুড়ার শিক্ষক, শিক্ষার্থীরা ইতিবাচক নেতৃত্ব দিক,নেতৃত্ব সৃষ্টি করুক এটাই প্রত্যাশা করছি।পরিশেষে আয়োজনকে সফল করার জন্য উপস্থিত সকলের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।